জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শৈশব থেকে তারুণ্যের গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই’ সিনেমাটি। ২ এপ্রিল মুক্তি পাবে সিনেমাটি। তবে অবাক করার বিষয় হচ্ছে, ১০০ সিনেমা হলে মুক্তির টার্গেট রয়েছে পরিচালক সেলিম খানের। শাপলা মিডিয়ার ব্যানারে সেলিম খানের পরিচালনায় এবং প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। সিনেমায় বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন শান্ত খান এবং বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী রেনুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি।
গতকাল ৩০ মার্চ (মঙ্গলবার) সন্ধ্যা ৭ টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে সিনেমাটির প্রিমিয়ার শো-এর উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর এক একটি দিন নিয়ে এক একটি সিনেমা হতে পারে। তার পুরো জীবন ছিলো বাঙালি জাতির কল্যাণে। তাঁর শৈশব-কৈশোর নিয়ে শাপলা মিডিয়া যে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছে তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। আশা করি শাপলা মিডিয়া এ ধরনের চলচ্চিত্র আরও নির্মাণ করবে।’
প্রিমিয়ার শো তে সিনেমার পরিচালক এবং শাপলা মিডিয়ার কর্ণধার মোঃ সেলিম খান। আরও উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান, চিত্রনায়ক সায়মন সাদিক, কায়েস আরজু, চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি, সাবরিনা সুলতানা কেয়া, শাহীন সুমন, জাকির হোসেন রাজু, মির্জা সাখাওয়াত হোসেন, লিটন, জসিম উদ্দিন জাকির, ডিএইচ বাদল প্রমুখ। এছাড়াও চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেক প্রযোজক, পরিচালক ও শিল্পীসহ প্রমুখ।
ছবিটি সেন্সর বোর্ডে কয়েক দফা প্রদর্শনের পর মুক্তির অনুমতি পেয়েছে। ইতিহাসভিত্তিক চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য লিখেছেন শামীম আহমদে রনি। চলচ্চিত্রটি পরিবেশনায় রয়েছে শাপলা মিডিয়া। ডিজিটাল ফরমেটে তৈরি এ সিনেমার ব্যাপ্তিকাল ২ ঘণ্টা ১২ সেকেন্ড।
১০০ হলে সিনেমা মুক্তির বিষয়ে মোঃ সেলিম খান জানিয়েছেন, আমরা এরইমধ্যে ৫২টি সিনেমা হল বুকিং সম্পন্ন করেছি। কমপক্ষে ১০০ হলে ছবিটি মুক্তি দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। যেহেতু বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ চলছে তাই এ চেষ্টা। আমরা হল মালিকদের সঙ্গে কথা বলছি।
এছাড়াও সিনেমা নিয়ে তিনি আরও জানান, বঙ্গবন্ধু সার্বজনীন। এই মহান নেতার জীবনটাই বর্ণাঢ্য ইতিহাস আর গৌরবের নানা অধ্যায়ে পরিপূর্ণ। বঙ্গবন্ধুর শৈশব-কৈশোরও সবার জন্য অনুকরণীয় আদর্শ। তাই আমরা নির্মাণ করেছি ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই’।