৩০ মার্চ সন্ধ্যা থেকে পুরো মেলা জুড়ে থাকবেন পরীমনি। কিন্তু একা নয়, যাবেন পুরো টিম মিলে। বইমেলায় যাওয়া এবারই প্রথমবার নয় পরীমনির। তবে এবারের উদ্দেশ্য ভিন্ন। বইমেলায় যাওয়ার কারন বই কেনা নয়, ছবির শ্যুটিংয়ের জন্য যাবেন তারা। ছবির নাম ‘মুখোশ’। ৩০ মার্চ সারাদিন এফডিসিতে শ্যুটিংয়ের কাজ শেষ করে সন্ধ্যায় হাজির হবেন অমর একুশে বইমেলায়। ভিড়ের মাঝেই চলবে তাদের শ্যুটিং। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ‘মুখোশ’ সিনেমার নির্মাতা ইফতেখার শুভ এবং অভিনেত্রী নিজেই।
নির্মাতা ইফতেখার গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, ‘৩০ মার্চ সন্ধ্যা পর্যন্ত এফডিসিতে শুটিং করবো। সন্ধ্যা নামতেই পুরো ইউনিট নিয়ে চলে যাবো মেলায়। এ বিষয়ে আমরা সকল প্রস্তুতি ও অনুমতি নিয়ে রেখেছি। জানি এমন পরিবেশে কাজটা করা খুব কঠিন হবে। মেলায় আগত পাঠক ও প্রকাশকদেরও হয়তো খানিক সমস্যা হবে। কিন্তু চলচ্চিত্রের কয়েকটি ভালো দৃশ্যের প্রয়োজনে এটুকু ছাড় আমাদের সবাইকেই দিতে হচ্ছে।’
এদিকে অভিনেত্রী পরীমনি জানিয়েছেন ‘আমি কবিতা না লিখলেও ভেতরে ভেতরে কিন্তু কবির একটা ভাব আছে! মানুষ বলে, আমি না। তবে এটা সত্যি, বরাবরই বইমেলা আমাকে খুব টানে। দ্বিতীয় ও শেষ গিয়েছি ২০১৫ সালে। প্রতিবার যেতে চাই, হয়ে ওঠে না। তবে এটাও কখনো ভাবিনি সিনেমার শুটিংয়ের জন্য মেলায় আমাকে যেতে হবে। এটা ভাবলেই আমি রোমাঞ্চিত হই।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেখুন চাইলে এফডিসিতে সেট বানিয়ে পাড়া-মহল্লা-মেলা সবই রাতারাতি বানিয়ে ফেলা যায়। তাতে ঝামেলা, খরচ, রিস্ক সবই সম্ভবত কম হতো। যেটুকু বুঝলাম, নির্মাতা আসলে সিনেমাটিতে ফেইক কিছু দেখাতে প্রস্তুত নন। তিনি যা দেখাবেন তার পুরোটাই বাস্তব করার চেষ্টা করছেন। তার এই চেষ্টাকে আমি সাধুবাদ জানাই। তার ইচ্ছেটাকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব আমাদেরও। তাই, ৩০ মার্চ সন্ধ্যায় দলেবলে দেখা হচ্ছে মেলায়!’
বলা যায় খুব ভালো সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন পরীমনি। ‘স্বপ্নজাল’ ছবির পর চয়নিকা চৌধুরীর ‘বিশ্বসুন্দরী’ দিয়ে শুরুটা হয়েছে সেই ভালো সময়ের। মুক্তির পর ছবিটি টানা ১০০ দিন প্রেক্ষাগৃহে চলার রেকর্ড গড়লো এই মহামারিতেও। এখন মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার অভিনীত রায়হান জুয়েলের ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’, তৌকীর আহমেদের ‘স্ফুলিঙ্গ’, হৃদি হকের ‘১৯৭১ সেইসব দিন’, সঞ্জয় সমদ্দারের ‘বায়োপিক’ এবং আরও কিছু ওয়েব সিরিজ।
চলচ্চিত্রবোদ্ধারা মতে, সামনের ক’বছর একক নায়িকা হিসেবে ঢালিউডে ভালোই শাসন করবেন পরী।