২০১৫ সালে মুক্তি পায় ‘হাঙ্গার গেমস’ সিরিজের সবশেষ সিনেমা ‘দ্য হাঙ্গার গেমস: মকিংজে পার্ট ২’। এর দীর্ঘ আট বছর পর আবার আসছে সিনেমাটির নতুন কিস্তি।
এবারের সিনেমার নাম ‘দ্য হাঙ্গার গেমস: দ্য ব্যালাড অব সংবার্ডস অ্যান্ড স্নেকস’। এটি নির্মাণ করা হয়েছে সুজান কলিন্সের ‘হাঙ্গার গেমস’ সিরিজের চতুর্থ বই ‘দ্য ব্যালাড অব সংবার্ডস অ্যান্ড স্নেকস’ অবলম্বনে।

জানাগেছে এবারের সিনেমাটি দর্শকদের ৬০ বছরেরও আগের সময়ে নিয়ে যায়। ‘দ্য হাঙ্গার গেমস: দ্য ব্যালাড অব সংবার্ডস অ্যান্ড স্নেকস’-এর গল্প এগিয়েছে একজন তরুণ কোরিওলানাসকে
অনুসরণ করে, যে তার ব্যর্থ বংশ ‘স্নো’র শেষ ভরসা।
এদিকে ১০তম বার্ষিক হাঙ্গার গেমের সময় ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে তরুণ স্নো ভয় পেতে থাকে। কারণ, তার জীবিকা হুমকির মুখে পড়ে। ফলে ডিস্ট্রিক্ট ১২ থেকে স্নোর পরামর্শদাতা হিসেবে লুসি গ্রে বেয়ার্ডকে
নিয়োগ দেওয়া হয়। স্নো অনিচ্ছায় লুসি গ্রে বেয়ার্ডের কাছে পরামর্শ নিতে শুরু করে। ধীরে ধীরে লুসিকে সঙ্গে নিয়ে স্নো তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের একটি সুযোগ দেখে। স্নো লুসি গ্রের সঙ্গে ভালো-মন্দ উভয়ের জন্য লড়াই করে। স্নো লড়াইয়ে বেঁচে থাকার জন্য সময়ের বিপক্ষে একটি পদক্ষেপ নেয়।
এ পদক্ষেপের মাধ্যমে জানা যায়, শেষ পর্যন্ত স্নো গানের পাখি কিংবা সাপ হবে কিনা। ১৫৭ মিনিট দৈর্ঘ্যের সিনেমাটিতে দেখানো হয়েছে হাঙ্গার গেমের নিষ্ঠুর ক্ষেত্র ডেথ ম্যাচটি। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ পোনেম নেতা কোরিওলানাস স্নোর প্রাথমিক রাজনৈতিক ও প্রেমের জীবন দেখানো হয়েছে।