আগস্ট ২৫, ২০২২, ০৯:০৬ পিএম
হলিউডের বিখ্যাত অভিনেতা ও পরিচালক সিলভেস্টার স্ট্যালন। তার স্ত্রী জেনিফার ফ্ল্যাভিনও হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী। দীর্ঘ ২৫ বছরের সংসারের ইতি টানতে বিবাহ বিচ্ছেদ চেয়ে আদালতে মামলা করেছেন জেনিফার। নেপথ্যে এক নবাগত পোষ্য, হাউন্ড প্রজাতির একটি কুকুর। বিনা অনুমতিতে সেটিকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ায় বেজায় চটেছেন ‘র্যাম্বো’ সিনেমাখ্যাত সিলভার স্ট্যালনের ওপর। শুধুমাত্র ওই কুকুরটির কারণেই ২৫ বছরের বিবাহিত জীবনের ইতি ঘটতে যাচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ডিইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিনেতা দম্পতির বাড়িতে হাউন্ড প্রজাতির একটি কুকুর রয়েছে তারপরও এক ‘ভয়ঙ্করদর্শন’ কুকুর বাড়িতে এনেছেন সিলভেস্টার। এতেই খেপে গিয়ে বিয়ে ভাঙলেন জেনিফার।

তাঁদের ২৫ বছরের বিবাহিত জীবনে ইতি টেনে দিল আর কেউ নয়, নবাগত পোষ্য। ডিভোর্স চেয়ে মামলা দায়ের করলেন সিলভেস্টার স্ট্যালনের স্ত্রী, জেনিফার ফ্ল্যাভিন। সংবাদ সংস্থার খবর, ভয়ঙ্করদর্শন সেই সারমেয় রট হুইলার প্রজাতির। যাকে সদ্য বাড়িতে এনেছিলেন হলিউড অভিনেতা সিলভেস্টার। কিন্তু এতে জেনিফারের মত ছিল না।

সিলভেস্টার স্ট্যালনের কুকুর প্রীতিতে প্রাণ ওষ্ঠাগত জেনিফার। বাড়িতে বুটকুস নামে আর এক পোষ্য আগে থেকেই আছে। রকি ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে সঙ্গে সেই বুল ম্যাস্টিফ প্রজাতির কুকুরকেও সকলেই চেনেন। তাকেও নাকি কৌশলে বাড়িতে এনেছিলেন স্ট্যালন। কিন্তু আবার একটা? এতেই মেজাজ খারাপ হেয়ে যায় ৫৪ বছর বয়সী অভিনেত্রী জেনিফারের।

আর মেনে নিতে পারেননি জেনিফার। তাঁর ইচ্ছে-অনিচ্ছের কি কোনও দাম নেই? বিচার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলেন তিনি।

তবে ৭৬ বছর বয়সি স্ট্যালন জানান, তাঁদের পরিবারের সুরক্ষার জন্য ডোয়াইটকে এনেছিলেন। ফ্ল্যাভিন কোনও ভাবেই সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে আপস করতে চাইছেন না। সেই নিয়ে তুলকালাম অশান্তি। যা শেষমেশ বিয়ে ভেঙে দিল ‘ক্রিড’ অভিনেতার।

সম্প্রতি আরও এক ঘটনা অবশ্য এতে ইন্ধন জুগিয়েছিল বলে দাবি করেছে একাধিক সংবাদমাধ্যম। তাদের প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, স্ট্যালন তাঁর পোষ্য বুটকুসের ছবি দিয়ে প্রতিস্থাপিত করেছেন তাঁর অঙ্গে ট্যাটু করা স্ত্রীর মুখ। এর পরই নাকি সম্পর্কে চিড় ধরে।

১৯৯৭ সালের মে মাসে ফ্ল্যাভিনকে বিয়ে করেছিলেন স্ট্যালন। প্রাক্তন দম্পতির তিন কন্যা সোফিয়া, সিস্টিন এবং স্কারলেটের বয়স যথাক্রমে ২৫, ২৪ ও ২০ বছর।

এত বছরের দাম্পত্যের অবসান ঘটিয়ে জেনিফারের অভিযোগ, তাঁর স্বামী তাঁর মানসিক অশান্তি এবং পারিবারিক সম্পদের অপচয়ের জন্য দায়ী।