ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তায় এবার পোড়া কাপড় কিনলেন পূজা চেরি

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

এপ্রিল ৯, ২০২৩, ১০:২৩ পিএম

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তায় এবার পোড়া কাপড় কিনলেন পূজা চেরি

গত সপ্তাহে রাজধানীর বঙ্গবাজারে ঘটে গেছে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। মুহূর্তেই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় হাজারা মানুষের স্বপ্ন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কয়েক হাজার ব্যবসায়ী।

সেই ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে দেশের সামর্থ্যবান মানবিক মানুষ ও দাতব্য সংস্থাগুলো।

দাতব্য ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের ডাকে সাড়া দিয়ে রাজধানীর বঙ্গবাজার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে আর্থিক সহায়তা নিয়ে দাঁড়ানো ব্যক্তির তালিকা ক্রমেই বাড়ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি অনেক শিল্পীই ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এবার বঙ্গবাজারের ক্ষতিগ্রস্তদের অর্থ সহায়তায় পোড়া কাপড় কিনলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান প্রজন্মের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূজা চেরি।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘চিত্রনায়িকা পূজা চেরি বঙ্গবাজারের পোড়া কাপড় কিনলেন।’

ক্যাপশনে আরও লেখা হয়, "কর্মচারীদের ঈদের আনন্দ যেন মাটি না হয়। তাঁদের ক'জনের ঘরে যদি এই কাপড় কেনার মাধ্যমে যেতে পারি তবে আমার দিনটাই সার্থক"

সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে আমরা যুক্ত করতে চাই যে কোন দূর্যোগে। আস্থার একটা জায়গা থাকুক সবার, এটাই বিদ্যানন্দের চেষ্টা।

প্রসঙ্গত, এর আগে দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী তাহসান আগুনে পুড়ে যাওয়া একটি লুঙ্গি এক লাখ টাকায় কিনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তায় এগিয়ে আসেন। পরবর্তীতে ঢারিউড অভিনেত্রী  শবনম বুবলী ও বিদ্যা সিনহা সাহা মীমও পোড়া কাপড় কিনে নিঃস্ব ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় শামিল হন।

দুর্ঘটনার শিকার অসহায় মানুষের সহযোগিতার এই অভিনব পন্থা তৈরি করেছে দাতব্য সংস্থা বিদ্যানন্দ। তারা বঙ্গবাজারে পুড়ে যাওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া কাপড়গুলো কিনে নিচ্ছেন। এরপর সেগুলো সংস্কার করে বিক্রি করছেন মানুষের কাছে। এর মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থগুলো দেওয়া হবে বঙ্গবাজারের দোকানিদের।

গত ৪ এপ্রিল ভোরে রাজধানীর বঙ্গবাজারে আগুন লাগে। সকাল ৬টা ১০ মিনিটে খবর পেয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান ফায়ার সার্ভিস। পরে প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা ধরে ফায়ার সার্ভিসের ৪৮টি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও পুড়ে ছাই হয়ে যায় চার হাজারের বেশি দোকান। 

Link copied!