ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২, ০২:৪৩ পিএম
শিল্পী সমিতির প্রধান নির্বাচন কমিশনার পীরজাদা শহীদুল হারুন বলেছেন, “শিল্পী সমিতির পদ অতি জরুরি কোনো বিষয় না। এই পদ গ্রহণ না করলে সমাজ, বা শিল্পীদের বড় কোন ক্ষতি হবে না। এখন অত্যাবশ্যকীয় কোনো কার্যক্রম শিল্পী সমিতিতে নেই। আদালত ২২ তারিখে একটি সিদ্ধান্ত দেবে। সেই পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।”
মঙ্গলবার দ্য রিপোর্টের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকালে পীরজাদা শহীদুল হারুন এসব কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, বিধি মোতাবেক ২৮ তারিখে ফলাফল ঘোষণা করা হলো, আপিল হলো সেখানেও হেরে গেল। তখন নির্বাচন কমিশন ৩০ তারিখে চূড়ান্ত ফলাফল দিয়ে দিয়েছে। চূড়ান্ত ফলাফল এখতিয়ার করার একমাত্র ক্ষমতা আদালতের আছে। ১০ নাম্বার অনুচ্ছেদে প্রার্থীতা বাতিল করেছে কিন্তু ১০ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা আপিল বোর্ডের নেই সেটা শুধু নির্বাচন কমিশনারের আছে।”
পীরজাদা হারুন বলেন, “প্রার্থীতা বাতিলে কিন্তু আপিল বোর্ডের নাম নেই অনুচ্ছেদের মধ্যে। তবে প্রাথমিক ফলাফলের পর কেউ আপত্তি করলে আপিল বোর্ডের কাজ থাকে। যেহেতু নিপুণ একটি আবেদন করেছে তখন ২৯ তারিখে তার বোর্ড গণনা করলে সে জিততে পারবে। তখন আপিল বোর্ড সক্রিয় হতে পারে। কিন্তু ২৮ তারিখের আগে আপিল বোর্ডের সক্রিয়তা নেই। তাই আপিল বোর্ড কারো প্রার্থীতা বাতিল করতে পারবে না। ফলাফল পরিবর্তন করে দিতে পারে কিন্তু প্রার্থীতা বাতিলের ক্ষমতা আপিল বোর্ডের নেই। ৫ তারিখে ও সেটা সম্ভব না। তাই আইন মোতাবেক এখনো যিনি ৩০ তারিখে চূড়ান্ত ফলাফল নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন সেই ২১ জনই বৈধ। তাই সাধারণ সম্পাদক পদ ওইদিনের নিয়ম অনুযায়ী হবে।”
তিনি বলেন, “শিল্পী সমিতির গঠনতন্ত্রের নিয়মটা হল সাত দিনের মধ্যে ক্ষমতা বুঝিয়ে দিতে হবে তবে কোর্টের আদেশ মান্য করে। কোর্ট যতদিন পর্যন্ত আদেশ না দেবে ততদিন আইন মানতে হবে।”
হারুন বলেন, “কোর্ট এর মধ্যে নির্ধারণ করেছে ২২ তারিখে রায় দেবে। ২২ তারিখ পর্যন্ত সময় আছে এটা গঠনতন্ত্রের পরিবর্তন হবে না। কোর্ট সবকিছু পরিবর্তন করতে পারে। ২২ তারিখ পর্যন্ত ২ জন সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে কেউ চেয়ারে বসতে পারবে না। কোর্টের আদেশ সবার মানতে হবে। গঠনতন্ত্র মানতে হবে।”
অন্য কেউ এই দায়িত্ব পালন করতে পারবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “যারা ভোটার আছে তাদের এবং যারা কমিটিতে ২১ জন পাস করেছে তাদের সবার কোর্টের আদেশ মানতে হবে। না মানলে অবমাননা হয়ে যায়।”