বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে 'টক অব দ্য কান্ট্রি'তে পরিণত হওয়া চিত্রনায়ক জায়েদ খানের বিরুদ্ধে এবার জমি ও স্থাপনা দখলের অভিযোগে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগীরা।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগীরা দাবি করেন,‘অন্তর জ্বালা’ সিনেমার শুটিংয়ের কথা বলে নিজ জেলা পিরোজপুরে জমি ও ক্লিনিক দখল করেছেন জায়েদ খান।
মানববন্ধনের ব্যানারে চিত্রনায়ক জায়েদ খানকে ভূমিদস্যু হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি জমি দখলে তার দুই ভাই ওবায়দুল হক পিন্টু ও শহীদুল হক মিন্টু জড়িত বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।
জায়েদ খানের প্রতিক্রিয়া
তবে এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। দুঃখজনক ও হাস্যকর জানিয়ে তিনি গণমাধ্যমে বলেন, “শিল্পী সমিতিতে যারা সহযোগী সদস্য হয়েছেন এবং যে গ্রুপটি নির্বাচন নিয়ে আমার বিরুদ্ধে কাজ করছে, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করছে, তারই অংশবিশেষ পিরোজপুরে ক্লিনিক দখলের অভিযোগ এনে প্রেস ক্লাবে দাঁড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে যে, জায়েদ খান হিন্দুদের ক্লিনিক দখল করেছে। ওই জমির সঙ্গে আমি কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নই।”

জায়েদ খান আরও বলেন, “আমার বড় ভাই ক্লিনিকের অর্ধেক মালিক। বাকি অর্ধেক কেনার জন্য তাদের টাকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা টাকা নিয়ে রেজিস্ট্রার না দিয়ে ঘুরাচ্ছে। তারই ফলশ্রুতিতে মামলাটি চলমান। এটি আমার ভাইয়ের এবং তাদের একান্ত বিষয়। এর সঙ্গে আমি জড়িত নই।”
জায়েদ বলেন, “সেখানে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সিনেমার গুটি কয়েক লোক, যারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিত্ত করেছে আবার তারাই টাকা দিয়ে কিছু লোকজনকে ভাড়া করে এনে আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন খবর ছড়াচ্ছে। যা খুবই দুঃখজনক।”
প্রসঙ্গত, এর আগে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ভোট কেনা, নির্বাচনসংশ্লিষ্টদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠেছে জায়েদ খানের বিরুদ্ধে। সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে এখনো জটিলতা কাটেনি। আগামিকাল সোমবার এ বিষয়ে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করবেন আপিল বিভাগ। এর আগে, জায়েদ খানের বিরুদ্ধে অভিনেত্রী শিমু হত্যার অভিযোগ উঠলেও তা মিথ্যা প্রমাণ হয়।