সালাউদ্দিনকে প্রতিমন্ত্রীর তিরস্কার

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

এপ্রিল ৯, ২০২৩, ০৮:২৮ পিএম

সালাউদ্দিনকে প্রতিমন্ত্রীর তিরস্কার

অলিম্পিক গেমস বাছাই খেলতে মিয়ানমারে সাবিনাদের যেতে দেয়নি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। অথচ সেই দায় তারা চাপাচ্ছে সরকারের উপর। সরকারের কাছে আর্থিক সাহায্য না পাওয়ার সাবিনাদের মিয়ানমারে পাঠোনো হয়নি বলেই বাফুফে থেকে জানানো হয়। তবে অলিম্পিক বাছাইয়ে দল না পাঠানোকে বাফুফের ইচ্ছেকৃত এবং এর দায় তারা অন্যের উপর চাপানোর চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি।

রোববার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভা শেষে বলেন, ‘সাফ জিতে সাবিনারা দেশের জন্য বড় একটি সম্মান নিয়ে এসেছে। অথচ তারাই অলিম্পিক বাছাই পর্বে খেলতে পারছে না। এরচেয়ে কষ্টের আর কিছুই হতে পারে না।’ বাফুফের কর্মকর্তা ছাড়া মিডিয়ার সামনে বেতনভুক্ত সাধারন সম্পাদক যাবতীয় তথ্য প্রদান করছেন। বিষয়টি ধৃষ্টতার শামিল হিসবাবে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী, ‘আমি জেনেছি সাবিনাদের মিয়ানমারে না যাওয়া নিয়ে কথা বলেছে সাধারন সম্পাদক। বাফুফেতে চাকরি করে এমন একজন সরকারকে দোষারোপ করে বক্তব্য দিয়েছেন। তাছাড়া অর্থের জন্য সরকারকে এক দিনের জন্য তারা সময় দিয়ে কিভাবে বক্তব্য দেয়। আমরা কাজ শুরু করেছিলাম। অর্থ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছিলাম। সরকারকে সময়ই দেয়া হলো না। অথচ এ নিয়ে ধৃষ্টতাপূর্ণ কথা বললেন।’

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে ছিলেন। সেখানে থেকেই সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে সাবিনাদের মিয়ানমারে না যাওয়ার বিষয়ে জেনেছেন। তার কথায়, ‘নিজের দোষ অন্যের কাধে চাপানোর চেষ্টা করছে বাফুফে। যা মিডিয়ার নিউজের মন্তব্যে সবাই ফুটবল ফেডারেশনকে দোষারোপ করেছে।’ তিনি যোগ করেন, ‘আমরা তাদের পাশেই ছিলাম। স্পন্সর প্রতিষ্ঠানও প্রস্তুত ছিল। অথচ অন্যায়ভাবে একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে মেয়েদের বঞ্চিত করলেন বাফুফের কর্তারা। আমি জেনেছি, ভারত কোয়ালিফাই করেছে। আমাদেরও সম্ভাবনা ছিল। সেই সম্ভাবনাকে নষ্ট করলেন বাফুফের কর্তারা। কেন ইচ্ছেকৃতভাবে কাজটি করলেন, দেশের ভাবমূর্তিকে সংকটে ফেললেন তারা, তা আমার মাথায় আসে না। এর পেছনে অন্য কিছু রয়েছে।’

 

Link copied!