মোবাইল আর্থিক লেনদেন প্রতিষ্ঠান নগদকে শর্তসাপেক্ষে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এলওআই (লেটার অফ ইন্টেন্ট) লাইসেন্স দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। বাংলাদেশ ডাক বিভাগের এই সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে অনুমোদন দেয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম দ্য রিপোর্টকে বলেন,কতিপয় শর্তসাপেক্ষে নগদকে এই অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
এ নিয়ে দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে ৩৫টিতে দাঁড়াল। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৪২৪তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। এতে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর, নির্বাহী পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা।
গত রবিবার (২৮ আগস্ট) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিক্রিয়ায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ২০১৯ সালের ২৬ মার্চ থেকে একটা বিষয় লক্ষ্য করে আসছি, নগদের সাফল্যে একটি মহল বরাবরই নাখোশ। যেখানে নগদের কারণে দেশের মোবাইল আর্থিক সেবার মান বেড়েছে এবং খরচ গত এক দশকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে। সেখানে কার স্বার্থে আঘাত লাগছে সেটি অনুমেয়? যেখানে নগদের কারণে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের কোটি কোটি মানুষ অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিতে আসতে পারলো, যার ফলশ্রুতিতে আজ দেশের নারী-শিশু-বয়স্ক-বিধবাসহ নিম্নআয়ের মানুষেরা ঘরে বসে সব ধরনের সরকারি ভাতা পাচ্ছেন শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে। তাহলে এতে কার ক্ষতি হলো?
মোস্তাফা জব্বার বলেন, এটি স্পষ্ট করে বলা দরকার যে নগদের জন্য ডাক বিভাগের কোনো ক্ষতি হয়নি বা হবেও না। ডাক বিভাগের সেবা হিসেবে নগদ তার জাতীয় দায়িত্ব পালন করছে। অনুগ্রহ করে অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না বা গুজবে কান দেবেন না।