চা একটি জনপ্রিয় পানীয়। যাদের চা ছাড়া একদম চলে না, তাদের চায়ের প্রতি আসক্তি আরও বাড়াতে পারে ভিন্ন স্বাদের চা-ভেষজ চা। ভেষজ চা স্বাদ বদলানোর পাশাপাশি শরীরের জন্য খুবই উপকারি কারণ এতে রয়েছে একাধিক গুণ।
তুলসি চা
ঠান্ডা-গরমের মৌসুমে যাদের সর্দি-কাশি লেগেই থাকে, তাদের জন্য তুলসি চা খুবই উপকারি। প্রতিদিন এক কাপ করে তুলসি চা খেলে ঠান্ডা লাগার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যাবে। তুলসি চা তৈরির ক্ষেত্রে একটি পাত্রে পানি গরম করে তাতে তুলসি পাতা ফুটিয়ে নিতে হয়। তারপর মধু ও লেবু মিশিয়ে নিলেই তৈরি হবে তুলসি চা। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে তুলসি চা ।তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভাল একটি পানীয় তুলসি চা।
দারুচিনি চা
শরীর থেকে অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে দারুচিনি চায়ের বিকল্প নেই। এই পানীয়টি শরীরের মেদ ঝরাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। দারুচিনি চা তৈরি করতে একটি পাত্রে পানি গরম করে দারুচিনি গুঁড়ো, লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে নিতে হয়। তারপর এই চা ছেঁকে খেতে হবে। দা্রুচিনি চা’তে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা বিভিন্ন রোগ থেকে শরীরকে বাঁচাতে সহায়তা করে। ঋতুস্রাবের সময় পেটে ব্যথা হলে, তা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায় দারুচিনি চা পান করলে।
পুদিনা চা
যারা বদহজমের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য পুদিনা পাতার চা অত্যন্ত কার্যকর। পুদিনা চা তৈরি করতে পানি গরম করে তাতে কুচি কুচি করে কয়েকটা পুদিনা পাতা কেটে অন্তত ১৫ মিনিট ঢেকে রাখতে পাতা কেটে দিলে পুদিনার গন্ধটা পুরোটাই পাবেন। নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ এড়াতেও পুদিনা চা কাজে লাগে। পুদিনা চা খেলে নিমেষেই দূর হয়ে যাবে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, একটানা কাজ করার জন্য মনঃসংযোগ বাড়াতেও সহায়তা করে পুদিনা চা।