বরিশালের প্রত্যন্ত আটিপাড়া গ্রামের ক্ষুদ্র কৃষক পরিবারে জন্ম তার। যে কৃষক পরিবারের অন্য সব চিন্তা বাদ দিয়ে খাবারের চিন্তায় দিন শুরু হতো। প্রতিদিন সকালে পান্তা খেয়ে বাবাকে ফসলের মাঠে সাহায্য করতে লাঙ্গল নিয়ে ছুটতে হতো তাকে। তিনি নিজেই লিখেছিলেন, ‘কৃষকের সন্তানের কোনো ভবিষ্যৎ নেই!’। অথচ সেই দরিদ্র কৃষক পরিবার থেকে উঠে এসে সরদার ফজলুল করিম হয়েছিলেন কালের মনীষী, প্রবাদপ্রতিম শিক্ষক, দেশের সেরা দার্শনিক। তিনি হয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক, হয়েছিলেন পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য।
অজপাড়াগাঁয়ের সেই অখ্যাত দরিদ্র পরিবার থেকে মেধার শীর্ষ পর্যায়ে উঠে এসেও সারাজীবন নিজের আদর্শে অটল ছিলেন সরদার ফজলুল করিম । নিঃসংকোচে বলতেন, ‘আরে আমি তো কৃষকের পোলাই।’
সরদার ফজলুল করিমের জন্ম বরিশালের আটিপাড়া গ্রামে ১৯২৫ সালের ১ মে। বাবা খবিরউদ্দিন সরদার ছিলেন কৃষক, মা সফুরা বেগম গৃহিণী। তারা ছিলেন পাঁচ ভাই-বোন।
সরদার ফজলুল করিমের শৈশব ও কৈশোরের প্রথম ভাগ কেটেছে গ্রামে। স্থানীয় এক স্কুল থেকে প্রাথমিক ও বরিশাল কলেজ থেকে মাধ্যমিক শেষ করে ঢাকায় আসেন ১৯৪০ সালে। মাধ্যমিকে তিনি মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছিলেন। শিক্ষার সুযোগ পেয়ে আজীবন মা-বাবার প্রতি পরম কৃতজ্ঞ ছিলেন তিনি। লিখেছিলেন, ‘আমার বাবা-মা নিরক্ষর এবং একেবারে মাটির মানুষ ছিলেন। তাদের মতো লোকের কথা ছিল না আমাকে স্কুলে পাঠানোর। কিন্তু তারা আমাকে স্কুলে পাঠিয়েছেন। সেজন্য আমি এ-মাটির মানুষগুলোর কাছে ঋণী এবং এই দেশের মাটির প্রতি আমার মনের মধ্যে একটা ভক্তি জেগে আছে।’
সরদার ফজলুল করিম ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট শেষ করে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে। শিক্ষক হিসেবে পেয়েছিলেন অধ্যাপক গোবিন্দ চন্দ্র দেবের মতো কিংবদন্তি শিক্ষকদের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে প্রথম হয়ে দর্শনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ইংল্যান্ডে পড়ার জন্য বৃত্তি পেয়েছিলেন। কিন্তু, সেই ইন্টারভিউ কার্ড ছিঁড়ে ফেলেছিলেন। এ প্রসঙ্গে স্মৃতিকথায় লিখেছিলেন-
‘ইন্টারভিউ কার্ড নিয়ে আমি কলকাতায় যাই। রাইটার্স বিল্ডিংয়ে না গিয়ে আমি প্রথমে গেলাম কমিউনিস্ট পার্টির অফিসে। সেখানে মুজাফফর আহমেদ (যাকে আমরা কাকাবাবু বলতাম), নৃপেন চক্রবর্তী (যিনি পরে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন)। আমি হাসতে হাসতে বললাম, ‘আমি তো বিলেত যাচ্ছি।’ ওঁরা শুনে হাসতে হাসতে ঠাট্টার ছলে বললেন, ‘আপনি বিলেত যাবেন আর আমরা এখানে বসে ভেরেণ্ডা ভাজবো? কাঁথা-কম্বল নিয়ে পার্টি অফিসে চলে আসেন।’ তো কাঁথা-কম্বল নিয়ে পরের দিন আমি পার্টি অফিসে যাইনি কিন্তু ইন্টারভিউ কার্ডটা ছিঁড়ে ফেলেছিলাম।’
বিলেতে পড়তে না গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিলেন সে বছরই।
ছাত্রজীবনেই বামপন্থী রাজনীতির সাথে সংযুক্ত হয়েছিলেন। কথা বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা অধিকার আদায়ে, শিক্ষার্থীদের পক্ষে। এক সময় কমিউনিস্ট পার্টিতে সময় দেওয়ার জন্য ছেড়ে দিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার চাকরি। পূর্ণাঙ্গ অনিশ্চিত জীবন যাকে বলে। ঘুরে বেড়িয়েছেন কৃষক, শ্রমিক, জনতার দাবি আদায়ে। কখনো কখনো গ্রামে আত্মগোপন করতে হয়েছিল তাকে। গ্রামের ছেলে যেন আরেক গ্রামেই ফিরে গেল। একটা সময় রাজনীতির কারণে তাকে আত্মগোপনে থাকতে হয়েছি নরসিংদীর অনেক গ্রামের কৃষকের বাড়িতে। আর যখন সুযোগ পেতেন লেখালেখির কাজে আত্মনিয়োগ করতেন। লুঙ্গি আর ফতুয়া পরে গ্রামে গ্রামে ঘুরতেন মানুষের দাবি, মানুষের স্বপ্নের বুনন খুঁজতে। নিজেকে কখনো নেতা মনে করতেন না সরদার ফজলুল করিম। মিশে যেতেন মাটি ও মানুষের সঙ্গে।
প্রথমদিকে শিক্ষক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইস্তফা দেওয়ার পরে তাকে থাকতে হয়েছিল কলকাতায় কবি আহসান হাবীবের বাড়িতে। সেখানে ছিল বিচিত্র জীবনযাত্রা। কিন্তু, এক রাতে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে চলে এলেন নরসিংদীতে। নরসিংদীর চালাকচরে এসে আত্মগোপন করলেন। তখন কাপাসিয়া, মনোহরদী, চরসিন্ধুরসহ নানান গ্রামে আত্মগোপনে সাংগঠনিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। একসময় আবার ঢাকায় এলেন আত্মগোপনের মাঝেই।
সরদার ফজলুল করিম ঢাকায় এসে উঠলেন সাংবাদিক ও কবি সন্তোষ গুপ্তের বাড়িতে। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা শহরের তাঁতি বাজার থেকে সরদার ফজলুল করিম তাঁর কয়েকজন বন্ধুসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। তিনি যখন কারাগারে যান তখন রাজবন্দী হিসেবে মর্যাদা আদায়ের দাবিতে রাজবন্দীদের অনশন ধর্মঘট চলছিল পুরোদমে এবং কারাগারে ঢুকে সাথীদের সঙ্গে তিনিও অনশনে যোগ দেন রাজবন্দী হিসেবে মর্যাদা আদায়ের দাবিতে। শুরু থেকে যারা অনশন করেছিলেন তাদের ৫৮ দিন পুরো হওয়ার পরে একটা ফয়সালা হয়। আর সরদার ফজলুল করিম ত্রিশ দিন পুরো অনশন করেন। এর মাধ্যমে কাপড়-চোপড় এবং থাকা খাওয়ার ব্যাপারে কিছু মর্যাদা এবং উন্নত অবস্থার স্বীকৃতি দেওয়া হয় তাদের। দীর্ঘ সোয়া পাঁচ বছর পর ১৯৫৫ সালের মার্চে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন সরদার ফজলুল করিম।
কারাবন্দী থাকা অবস্থাতেই গণপরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন সরদার ফজলুল করিম। বিখ্যাত মার্কিন পত্রিকাগুলো কারাবন্দী থাকা অবস্থাতে গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার খবর ফলাও করে ছেপেছিল।
১৯৫৬ থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত গণপরিষদের সদস্য ছিলেন তিনি। এসময় করাচীতে ছিলেন সরদার ফজলুল করিম। তার নামের আগে সরদার থাকায় পশ্চিম পাকিস্তানিরা মনে করত তিনি আসলেই সরদার গোষ্ঠীর এবং খুব প্রভাবশালী। কিন্তু, কিছুদিন পরেই ভুল ভাঙল তাদের।
তিনি আড্ডা দিতে পছন্দ করতেন। তার বাসাতে সবসময় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের ভিড় লেগে থাকত। তার চালচলন ছিল সাদাসিধে। তখন সীমান্ত গান্ধী তথা খান আবদুল গাফফার খানের কর্মীরা তার সঙ্গে দেখা করতে আসত। ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান ক্ষমতা দখল করার পরে পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি হলো। গ্রেপ্তার হলেন সরদার ফজলুল করিম। চার বছর পরে মুক্তি পেলেন ১৯৬২ সালের ডিসেম্বরে। ১৯৬৩ সালে যোগ দিলেন বাংলা একাডেমীতে। ১৯৬৩ থেকে ’৭১ সাল পর্যন্ত বাংলা একাডেমীর সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যক্ষ ছিলেন সরদার ফজলুল করিম।
১৯৭১-এর সেপ্টেম্বরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তাঁকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ধরে নিয়ে যায়। অন্য কারাবন্দী অধ্যাপক, শিক্ষকদের সঙ্গে তিনিও মুক্তি পান ডিসেম্বরের ১৭ তারিখ। স্বাধীনতার পরে ১৯৭২ সালে জাতীয় অধ্যাপক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের আমন্ত্রণে সরদার ফজলুল করিম শিক্ষক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে যোগ দিলেন। আগে ছিলেন দর্শন বিভাগে, এবার যোগ দিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে যোগ দেওয়া নিয়ে স্মৃতিকথায় সরদার ফজলুল করিম লিখেছিলেন, ‘অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক আবার আমাকে নিয়ে এলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে। আমি স্যারকে বলেছিলাম আমি তো দর্শনের লোক। পলিটিকাল সায়েন্সে তো আমার এমএ নেই। আপনি আমাকে এখানে কেন নিয়ে এলেন? রাজ্জাক স্যার উত্তরে বলেছিলেন, ‘আপনি ফিলসফির উপর কি সব লেখালেখি করছিলেন না? ঐগুলা আমার দরকার।’ উনি বিশ্বাস করতেন, দর্শন ছাড়া রাজনীতি সম্ভব নয়।’
সে বছরই প্রকাশিত হলো সরদার ফজলুল করিমের প্রথম গ্রন্থ ‘নানা কথা’। নানা কথায় উঠে এসেছে অসাধারণ সব বিষয়। ১৯৭৩ সালে যেমন দর্শন কোষ লিখলেন। যা ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম দর্শন জ্ঞানকোষ। প্রথমে বাংলা একাডেমী থেকে দর্শনকোষ নিয়মিত বের হত, এরপর পূর্ণাঙ্গ বই করেন সরদার ফজলুল করিম।
তাঁর অনুবাদের মান ছিল বিশ্বমানের। শব্দের গহ্বর, অর্থের নানারূপ মাত্রা, আর দর্শনের প্রাণ সবটুকু যেন ঢেলে দিয়েছেন তিনি অনুবাদে।
১৯৮৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসরে চলে গেলেন সরদার ফজলুল করিম। ১৯৮৯ সালে প্রকাশিত হলো তাঁর রুমির আম্মা ও অন্যান্য প্রবন্ধ। যে প্রবন্ধ সংকলনে ছিল মোট ১৭টি প্রবন্ধ। শুরুটা হয়েছিলো শহীদ রুমির মা শহীদ জননী জাহানারা ইমামকে দিয়ে। জাহানারা ইমামের সঙ্গে তার স্মৃতি ও মুক্তিযুদ্ধ এবং জাহানারা ইমামের অসামান্য অবদানের কথা উঠে এসেছে এই প্রবন্ধে।
১৯৯৩ সালে ‘নূহের কিশতি এবং অন্যান্য প্রবন্ধ’ এটিও ছিলো অসাধারণ প্রবন্ধ সংকলন। একই বছর প্রকাশিত হলো তার লেখা বিখ্যাত গ্রন্থ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পূর্ববঙ্গীয় সমাজ। যেখানে উঠে এসেছে জ্ঞানতাপস অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে তার আলাপচারিতা।
এর পরের বছর প্রকাশিত হয়েছিল তার স্মৃতিকথা ‘চল্লিশের দশকের ঢাকা’। ১৯৪০ সালেই প্রথম ঢাকায় পা রাখেন সরদার ফজলুল করিম। তাই তার প্রথম স্মৃতিও শুরু করেছিলেন, ‘বরিশালের পোলার ‘ঢাকা’ আগমন’ শিরোনাম দিয়ে। পুরো গ্রন্থটাই ছিলো তার স্মৃতিকথা, ঢাকা কলেজ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও শিক্ষক হয়ে অবশেষে গ্রামে প্রত্যাবর্তন নিয়ে।
সরদার ফজলুল করিম কেবল মৌলিক আর অনুবাদই করেছেন তা নয়। তিনি সম্পাদনা করেছেন একাধিক স্মারকগ্রন্থ। এছাড়া নিয়মিত লিখেছেন পত্রিকায়, মতামত দিয়েছেন নানাভাবে।
সরদার ফজলুল করিমের পুরোটা জীবন ছিলো ত্যাগের। আজীবন লড়াই করেছেন শোষণের বিরুদ্ধে, মানুষের অধিকার আদায়ে। সেই বরিশালের আটিপাড়ার অজপাড়াগাঁয়ের এক দরিদ্র কৃষক পরিবার থেকে উঠে এসে দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে পদার্পণ করা কয়েকটি যুদ্ধ জয়ের সমান। সেই জায়গা ছাড়তেও ন্যূনতম কার্পণ্য করেননি তিনি। তার জীবনের চিন্তা আর লক্ষ্যই ছিলো গণঅধিকার। মানুষের অধিকার আদায়, কৃষক , শ্রমজীবী মানুষকে নিজের অধিকার দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করা। নিজের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়গুলো কারাগারে পার করেছেন তিনি।
শিক্ষকতা জীবনে যেমন ছিলেন ছাত্রদের প্রতি কর্মনিষ্ঠ, উদার, আন্তরিক ও বন্ধু বাৎসল্য ঠিক তেমনি গ্রামে গ্রামে সাধারণ মানুষের মাঝে ছিলেন ভীষণ কোমল। কেবল তাই নয়, সময়ে অসময়ে পাওয়া অনেক লোভনীয় প্রস্তাব তিনি পাত্তা দেননি। বরং নিজেকে শাণিত করেছেন এবং প্রজন্মের পর প্রজন্মকে উজ্জীবিত করাই ছিলো তার ধ্যান।
দর্শন চিন্তা থেকে, সমসাময়িক রাজনীতি, অর্থনীতি, দুর্নীতি কোনো কিছুই তাঁর দৃষ্টি এড়ায়নি। নিজের বুদ্ধিভিত্তিক চর্চা আর জ্ঞানের ভাণ্ডার আজীবন বিলিয়ে গেছেন একটি দেশ ও একটি জাতির জন্য। বাক স্বাধীনতার প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপোষহীন। বুদ্ধিজীবী প্রসঙ্গে তিনি লিখেছিলেন, ‘বুদ্ধিজীবী বলতে আজ আর কোন একটি আদর্শের অনুসারী ব্যক্তিকে বুঝায় না। এই বুদ্ধিজীবীর মধ্যেই রয়েছে শ্রমজীবী অর্থাৎ ব্যাপকতর মানুষের সংগ্রামের প্রকাশ্য অপ্রকাশ্য শত্রু এবং এই বুদ্ধিজীবীর মধ্যেই রয়েছে শ্রমজীবীর সুহৃদ, মিত্র। এই উভয় অংশের স্বার্থ এবং চিন্তাগত বিরোধই নানা আবরণে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীর চিন্তাজগতকে আকীর্ণ করে আছে।’
সরদার ফজলুল করিম আজীবন ছিলেন এই বাংলার মাটি ও মানুষের সবচেয়ে কাছের মানুষ। তাই নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে রাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবী হয়েও তাঁর পা চড়েনি মাত্র এক ইঞ্চি ওপরেও।
আজ কিংবদন্তি দার্শনিক, শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, প্রবন্ধকার সরদার ফজলুল করিমের জন্মদিন। আমাদের কালের বাতিঘরের প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা।